শব্দকোষ
- 51% আক্রমণ
- ব্লকচেইন কনসেনসাসের ওপর আক্রমণ, যেখানে কেউ নেটওয়ার্কের অর্ধেকের বেশি ব্লক তৈরির ক্ষমতা দখল করে নেয়।
- অন-রাম্প
- এমন একটি সেবা, যা ডলারের মতো সাধারণ টাকাকে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বদলে দেয়। অফ-রাম্প ঠিক উল্টো কাজ করে।
- অনচেইন
- ব্লকচেইন নেটওয়ার্কে লিপিবদ্ধ। Ethereum-এর মতো ক্রিপ্টোকারেন্সি নেটওয়ার্কে করা কাজ বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার হয়।
- অনচেইন গভর্ন্যান্স
- স্বয়ংক্রিয় যে ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্লকচেইনের কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়।
- অনচেইন পরিচয়
- ব্লকচেইনে আপনার কাজ ও রেকর্ড থেকে গড়ে ওঠা একটি প্রকাশ্য পরিচয়, যেমন আপনার ওয়ালেট ঠিকানার সঙ্গে যুক্ত একটি ENS নাম।
- অপটিমিস্টিক রোলআপ
- এমন একটি Layer 2 রোলআপ, যা ধরে নেয় তার ব্যাচের সব লেনদেন বৈধ। চ্যালেঞ্জের সময়সীমার মধ্যে জালিয়াতির প্রমাণ দিয়ে ভুল দেখানো হলে তবেই তা বাতিল হয়।
- অফচেইন
- ব্লকচেইনের বাইরে ঘটা যেকোনো কাজ বা তথ্য, যেমন সাধারণ সার্ভারে বা স্বাক্ষর করা বার্তায়।
- অর্ডার বুক
- বিভিন্ন দামে কেনা ও বেচার প্রস্তাবের তালিকা। প্রচলিত এক্সচেঞ্জ এই তালিকা থেকেই ট্রেড মেলায়।
- অ্যাগ্রিগেটর
- এমন একটি টুল, যা একাধিক উৎস মিলিয়ে সবচেয়ে ভালো বিকল্পগুলো সামনে আনে।
- অ্যাটেস্টেশন
- কোনো কিছু সত্য, এমন একটি স্বাক্ষরিত নিশ্চয়তা। Ethereum-এ ভ্যালিডেটররা অ্যাটেস্টেশন প্রকাশ করে ভোট দেয় যে ব্লকটি বৈধ।
- অ্যাসিনক্রোনাস
- একাধিক মানুষের মধ্যে এমন যোগাযোগ, যেখানে বার্তা পাঠানোর সময় সবাইকে উপস্থিত থাকতে হয় না।
- আয় করা
- পুরস্কারের বিনিময়ে মূল্য যোগ করা; স্কিল কিউবে টাকা নিয়ে যে কাজগুলো আছে তার একটি।
- ইথার
- (ETH) Ethereum-এর নিজস্ব ক্রিপ্টোকারেন্সি। নেটওয়ার্কে লেনদেন করা, ভ্যালিডেটর নোড চালানো আর আরও নানা কাজে এটি লাগে।
- ইনটেন্ট
- স্বাক্ষর করা একটি ট্রেড অনুরোধ, যেখানে আপনি কী ফল চান তা লেখা থাকে, যেমন “X দিয়ে অন্তত Y চাই”। সেরা পথ খোঁজার কাজ বিশেষজ্ঞদের হাতে থাকে।
- ইন্টারঅপারেবিলিটি
- আলাদা আলাদা অ্যাপ, টোকেন আর ব্লকচেইনের একসঙ্গে কাজ করার ও তথ্য ভাগ করে নেওয়ার ক্ষমতা।
- ইপক
- কোনো একটি ব্লকচেইনে নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্লক যুক্ত হতে যতটা সময় লাগে।
- ইল্ড ফার্ম
- এমন একটি DeFi প্রোটোকল, যেখানে ব্যবহারকারীরা পুরস্কার পেতে টোকেন জমা রাখেন। সবচেয়ে ভালো পুরস্কারের পেছনে ছোটাকেই ইল্ড ফার্মিং বলে।
- উন্মুক্ত ইন্টারনেট
- এমন একটি ডিজিটাল পরিসর, যেখানে তথ্য, সেবা ও যোগাযোগ সব ব্যবহারকারীর জন্য খোলা থাকে এবং কোনো কেন্দ্রীকৃত প্রতিষ্ঠান তা নিয়ন্ত্রণ করে না।
- ঋণগ্রহীতা
- সম্পদ ধার নেওয়ার জন্য যিনি ঋণদাতাকে সুদ দিতে রাজি থাকেন।
- ঋণদাতা
- সুদ আয় করার জন্য যিনি সম্পদ জমা রাখেন।
- এনক্রিপশন
- তথ্যকে গোপন ও নিরাপদ সংকেতে বদলে ফেলার প্রক্রিয়া, যাতে অনুমতি ছাড়া কেউ তা পড়তে না পারে।
- এয়ারড্রপ
- ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিনামূল্যে ক্রিপ্টো সম্পদ বিতরণ।
- ওপেন সোর্স
- এমন সফটওয়্যার, যার সোর্স কোড যে কেউ দেখতে, বদলাতে ও উন্নত করতে পারেন।
- ওভার দ্য কাউন্টার
- (OTC) সরাসরি ব্যক্তিগত পক্ষের সঙ্গে করা ট্রেড।
- ওয়ালেট
- ওয়ালেট হলো এমন একটি অ্যাপ বা যন্ত্র, যা দিয়ে ব্লকচেইনে ক্রিপ্টো সম্পদ পাঠানো ও গ্রহণ করা যায়।
- ওয়ালেট অ্যাপ
- আপনার কম্পিউটার বা ফোনের একটি অ্যাপ, যা দিয়ে ব্লকচেইনে থাকা আপনার ওয়ালেটের সঙ্গে যুক্ত হওয়া যায়।
- ওয়ালেট প্রোভাইডার
- আপনার ওয়ালেটে ঢোকার জন্য যে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন, তার নির্মাতা। এই প্রোভাইডাররা আপনার ওয়ালেটের মালিক নন, তাঁরা সেতুর মতো কাজ করেন, যা দিয়ে আপনি ব্লকচেইনে নিজের অ্যাকাউন্টে পৌঁছান।
- ওরাকল
- এমন একটি সেবা, যা বাজারের দামের মতো বাইরের তথ্য ব্লকচেইনে নিয়ে আসে, যাতে স্মার্ট কন্ট্রাক্ট তা ব্যবহার করতে পারে।
- কনসেনসাস
- ব্লকচেইনের মতো বিকেন্দ্রীকৃত কম্পিউটার নেটওয়ার্কজুড়ে সবার একমত হওয়া, আস্থা আর নিরাপত্তা।
- কনসেনসাস মেকানিজম
- যে পদ্ধতিতে একটি ব্লকচেইন নেটওয়ার্ক বিচার করে কোন লেনদেনগুলো বৈধ আর কোনগুলো জালিয়াতি।
- কম্পোজেবিলিটি
- আগে থেকে থাকা স্মার্ট কন্ট্রাক্ট আর অ্যাপকে বিল্ডিং ব্লকের মতো জুড়ে নতুন জিনিস বানানোর ক্ষমতা।
- কয়েন
- কোনো ব্লকচেইনের নিজস্ব সম্পদ, যা মূলত সেই নেটওয়ার্কে লেনদেন করার মুদ্রা হিসেবে কাজে লাগে।
- কাউন্টারপার্টি ঝুঁকি
- চুক্তির অন্য পক্ষ নিজের দায়িত্ব পালন না-ও করতে পারে, এই ঝুঁকি।
- কাস্টম রেকর্ড
- ENS ডোমেইনের সঙ্গে জোড়া, ব্যবহারকারীর নিজের ঠিক করা তথ্য। সাধারণ ঠিকানার বাইরেও ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল লিংকের মতো বাড়তি তথ্য এতে জুড়ে দেওয়া যায়।
- কাস্টোডিয়ান
- আপনার সম্পদ নিরাপদে রাখার দায়িত্ব পাওয়া একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- কাস্টোডিয়াল ওয়ালেট
- কাস্টোডিয়াল ওয়ালেটে প্রাইভেট কী অন্য একটি পক্ষের হাতে থাকে, তাই আপনার ক্রিপ্টো সম্পদে ঢোকার নিয়ন্ত্রণও তাদের।
- কেন্দ্রীকরণ
- পুরো ব্যবস্থার ওপর ক্ষমতা একটিমাত্র কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার হাতে জমা হওয়া।
- কেন্দ্রীকৃত
- যেখানে একটিমাত্র কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা পুরো ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীকৃত এক্সচেঞ্জ
- (CEX) একটি কেন্দ্রীকৃত প্ল্যাটফর্ম, যা ফির বিনিময়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেড পরিচালনা করে, অনেকটা শেয়ারবাজারের মতো।
- কেন্দ্রীকৃত এক্সচেঞ্জ স্টেকিং
- পুরস্কার পাওয়ার জন্য কেন্দ্রীকৃত এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে টোকেন আটকে রাখা।
- কেন্দ্রীকৃত সেবা
- যেসব কোম্পানি বা সংস্থা অনলাইনের কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণ করে, নিয়ম আর ফি ঠিক করে, এবং ডেটা ও কনটেন্ট এমনভাবে চালায় যা প্রায়ই ব্যবহারকারীর দরকারের আগে নিজেদের স্বার্থ রাখে।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক
- যে প্রতিষ্ঠান একটি দেশের টাকা, ব্যাংক আর মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোয়াড্রেটিক ফান্ডিং
- এমন একটি ক্রাউড-ফান্ডিং পদ্ধতি, যেখানে যেকোনো অঙ্কের ব্যক্তিগত অনুদান ভোটের মতো কাজ করে এবং মোট তহবিল বাড়িয়ে দেয়। সমর্থন যত বেশি ছড়ানো, প্রভাব তত বড়!
- কোল্ড ওয়ালেট
- এক ধরনের সেলফ-কাস্টডি ওয়ালেট, যা ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন হার্ডওয়্যারে রাখা হয়।
- ক্রিপ্টো
- (ক্রিপ্টোকারেন্সি) ইন্টারনেটের নিজস্ব মুদ্রা, কোনো একটি দেশের নয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এগুলো চালায় না; বেশিরভাগ সময় ব্যবহারকারীরাই এগুলো পরিচালনা করেন।
- ক্রিপ্টো ওয়ালেট
- এমন একটি অ্যাপ, যেখানে আপনি নিজের ক্রিপ্টোকারেন্সি রাখতে, পাঠাতে, নিতে বা খরচ করতে পারেন।
- ক্রিপ্টোকারেন্সি
- ইন্টারনেটের নিজস্ব একটি মুদ্রা, আলাদা কোনো দেশের নয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এটি চালায় না; বেশিরভাগ সময় ব্যবহারকারীরাই এটি পরিচালনা করেন।
- ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেট
- এমন একটি অ্যাপ, যেখানে আপনি নিজের ক্রিপ্টোকারেন্সি রাখতে, পাঠাতে, নিতে বা খরচ করতে পারেন।
- ক্রিপ্টোকারেন্সি মাইনিং
- ক্রিপ্টোকারেন্সি পুরস্কারের বিনিময়ে ব্লকচেইন লেনদেন যাচাই করা। Bitcoin-এর মতো প্রুফ অব ওয়ার্ক নেটওয়ার্কে এটি ব্যবহৃত হয়।
- ক্রিপ্টোগ্রাফি
- নিরাপদে যোগাযোগ বা লেনদেন করার কৌশল, যা বাইরের কারও হস্তক্ষেপ ঠেকায়।
- খতিয়ান
- এ পর্যন্ত হওয়া সব লেনদেনের হিসাব।
- খরচ
- পণ্য বা সেবার দাম মেটাতে নিজের ক্রিপ্টো সম্পদ ব্যবহার করা।
- খরচের সীমা
- কোনো সত্তাকে, সাধারণত একটি স্মার্ট কন্ট্রাক্টকে, লেনদেনে আপনার নির্দিষ্ট পরিমাণ টোকেন ব্যবহারের অধিকার দেয়।
- গণতন্ত্র
- এমন একটি শাসনব্যবস্থা, যেখানে নাগরিকেরা সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বড় ভূমিকা রেখে ক্ষমতা প্রয়োগ করেন।
- গ্যাস
- ব্লকচেইন নেটওয়ার্কে লেনদেনের ফি।
- গ্যাসলেস লেনদেন
- এমন লেনদেন, যেখানে গ্যাস ফি নেটওয়ার্কের নিজস্ব কয়েনের বদলে যে টোকেন কেনাবেচা হচ্ছে তা দিয়ে দেওয়া হয়, বা কোনো স্পনসর দিয়ে দেয়।
- চূড়ান্ততা
- নিশ্চিত হয়ে যাওয়া কোনো ব্লকচেইন লেনদেন যে স্থায়ী, তা ফেরানো বা বদলানো যাবে না, এই নিশ্চয়তা।
- চেইন
- ডেটার ব্লকগুলোকে একসঙ্গে বেঁধে এমন একটি ডেটাবেস তৈরি করে, যা পরে বদলানো যায় না।
- ছদ্মনামী
- নিজের বেছে নেওয়া এমন একটি নামে কাজ করা, যা আসল পরিচয় লুকিয়ে রাখে।
- জামানত
- ঋণ শোধের নিশ্চয়তা হিসেবে ঋণগ্রহীতা ঋণদাতার কাছে যে সম্পদ বন্ধক রাখেন।
- জালিয়াতি
- ব্লকচেইন অর্থনীতিতে: অন্যায় বা ভুয়া লেনদেন, যা দিয়ে কার কাছে কত ক্রিপ্টোকারেন্সি আছে তা বদলে দেওয়া হয়।
- জালিয়াতির প্রমাণ
- প্রমাণ যে একটি লেনদেন অবৈধ এবং সেখানে জালিয়াতি হয়েছে।
- জিরো-নলেজ
- গাণিতিক এমন একটি পদ্ধতি, যা দিয়ে এক পক্ষ বাড়তি কোনো তথ্য ফাঁস না করেই প্রমাণ করতে পারে যে তার বক্তব্য সত্য।
- টাকা
- বিনিময়ের মাধ্যম, হিসাবের একক এবং মূল্য জমিয়ে রাখার উপায়, যা পণ্য ও সেবার লেনদেন সহজ করে।
- টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন
- নিরাপত্তার একটি বাড়তি স্তর, যা নিশ্চিত করে অনলাইন অ্যাকাউন্টে ঢুকতে চাওয়া মানুষটি সত্যিই সেই ব্যক্তি।
- টোকেন
- প্রচলিত কোনো ব্লকচেইনের ওপর তৈরি একক, যা সম্পদ বা মালিকানার দলিল বোঝাতে পারে।
- টোকেন খরচের সীমা
- ওয়ালেট ও স্মার্ট কন্ট্রাক্টের মধ্যে একটি চুক্তি, যা নির্দিষ্ট একটি টোকেন ব্যবহারের সীমিত বা সীমাহীন অনুমতি দেয়।
- টোকেন পেয়ার
- যে দুটি ক্রিপ্টোকারেন্সি মিলে একটি তারল্য পুল তৈরি হয়।
- টোকেন বিতরণ
- বিভিন্ন অংশীদার গোষ্ঠীর মধ্যে টোকেন যেভাবে ভাগ করে দেওয়া হয়।
- ট্রাস্টলেস
- মানুষ বা প্রতিষ্ঠানের ওপর ভরসা না করেই চলার গুণ। কাজটি স্বয়ংক্রিয় এবং এর মালিক কোনো একজন নয়।
- ট্রেড
- মূল্যবান কিছুর বিনিময়ে সম্পদ বা টাকা বদল করা।
- ট্রেড রাউটিং
- একটি ট্রেডে শুরুর টোকেন থেকে শেষ টোকেন পর্যন্ত পথ ঠিক করা।
- ট্রেড রুট
- একটি ট্রেডে শুরুর টোকেন থেকে শেষ টোকেন পর্যন্ত যে পথ ধরে যাওয়া হয়।
- ঠিকানা
- ব্লকচেইনে কোনো সত্তার অনন্য সর্বজনীন পরিচয়।
- ডাবল স্পেন্ড
- একই ডিজিটাল টাকা দুবার খরচ করা। কেন্দ্রীয় কোনো কর্তৃপক্ষ ছাড়াই এটি ঠেকাতে ব্লকচেইন কনসেনসাস কাজে লাগে।
- ডিজিটাল সম্পদ
- ডিজিটাল উপায়ে রাখা মূল্যবান যেকোনো কিছু।
- ডিজিটাল স্বাক্ষর
- আপনার প্রাইভেট কী দিয়ে তৈরি প্রমাণ যে আপনি কোনো বার্তা বা লেনদেন অনুমোদন করেছেন। এটি হাতে করা সইয়ের মতোই কাজ করে, তবে নকল করা যায় না।
- ডেথ স্পাইরাল
- নিজেই নিজেকে বাড়িয়ে তোলা ধস। দাম পড়তে থাকলে এমন পদক্ষেপ নিতে হয়, যা দামকে আরও নিচে ঠেলে দেয়। কিছু অ্যালগরিদমিক স্টেবলকয়েনে এটি ঘটেছে।
- ডেলিগেশন
- নির্দিষ্ট কোনো দায়িত্ব অন্য একজনকে দেওয়া, যেমন টোকেন ভোটের ক্ষমতা অন্যের হাতে তুলে দেওয়া।
- তারল্য
- ট্রেড করার জন্য কোনো টোকেন কী পরিমাণে পাওয়া যায়।
- তারল্য পুল
- টোকেনের একটি যৌথ ভাণ্ডার, যা কারও অনুমতি ছাড়াই টোকেন সোয়াপ করা সম্ভব করে।
- দুষ্প্রাপ্য
- পরিমাণে সীমিত, সহজে পাওয়া যায় না এমন।
- দুষ্প্রাপ্যতা
- পরিমাণে সীমিত হওয়া, সহজে না পাওয়া যাওয়া।
- নিরপেক্ষতা
- সব অংশগ্রহণকারীর সঙ্গে সমান আচরণ করার নীতি, কোনো ব্যবহারকারী বা গোষ্ঠীর প্রতি পক্ষপাত ছাড়াই।
- নিরাপত্তা
- হ্যাকিংয়ের চেষ্টা, কোডের দুর্বলতা কাজে লাগানো বা অর্থনৈতিক আক্রমণ সামলে ব্লকচেইনের স্বাভাবিকভাবে চলতে থাকার ক্ষমতা।
- নিষ্পত্তির সময়
- একটি লেনদেন নিশ্চিত হতে যত সময় লাগে।
- নিষ্পত্তির স্তর
- ব্লকচেইনের সবচেয়ে “নিচের” স্তর, যেখানে চূড়ান্ত হওয়া লেনদেনের সম্পদ বিনিময়ের বিবরণ লেখা থাকে। Ethereum মেইননেট হলো Ethereum-এর Layer 2 স্কেলিং সমাধানগুলোর নিষ্পত্তির স্তর।
- নেটওয়ার্ক গভর্ন্যান্স
- যে প্রক্রিয়ায় একটি বিকেন্দ্রীকৃত কমিউনিটি নেটওয়ার্কের ফিচার ও আপগ্রেড নিয়ে একমত হয়।
- নোড
- ব্লকচেইন সফটওয়্যার চালানো একটি কম্পিউটার, যা খতিয়ানের একটি অনুলিপি রাখে এবং নেটওয়ার্ক যাচাই করতে সাহায্য করে।
- নোড অপারেটর
- Ethereum কমিউনিটির একজন সদস্য, যিনি নেটওয়ার্কের লেনদেন প্রক্রিয়া করতে একটি ভ্যালিডেটর নোড চালান।
- পাবলিক কী
- আপনার প্রাইভেট কী থেকে তৈরি একটি কোড, যা অন্যকে দেওয়া নিরাপদ। আপনার ওয়ালেট ঠিকানা এই পাবলিক কী থেকেই আসে।
- পাবলিক গুড
- পাবলিক গুড হলো এমন পণ্য বা সেবা, যা সমাজের সব সদস্যের জন্য উন্মুক্ত।
- পারমিশনলেস
- যা ব্যবহার করতে কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগে না।
- পাসওয়ার্ড ম্যানেজার
- এমন একটি অ্যাপ, যা আপনার পাসওয়ার্ড নিরাপদে জমা রাখে এবং প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা ও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করে দিতে পারে।
- পিয়ার
- সমান মর্যাদায় বিবেচিত একজন ব্যক্তি বা একটি প্রতিষ্ঠান।
- পিয়ার-টু-পিয়ার
- একাধিক পক্ষের মধ্যে সরাসরি সংযোগ, যেখানে কোনো মধ্যস্থতাকারীর দরকার হয় না।
- পেগ
- দুই বা তার বেশি সম্পদের মূল্য সমান রাখার পদ্ধতি।
- পেমেন্ট চ্যানেল
- এর মাধ্যমে দুই পক্ষ বহুবার লেনদেন করতে পারে, অথচ প্রতিটি লেনদেন ব্লকচেইনে লিখে রাখতে হয় না।
- প্রচলিত সরবরাহ
- কোনো ক্রিপ্টোকারেন্সির যত কয়েন বা টোকেন বাজারে কেনাবেচার জন্য প্রকাশ্যে পাওয়া যায়।
- প্রতিনিধি
- নির্দিষ্ট কোনো দায়িত্ব অন্য একজনকে দেওয়া, যেমন টোকেন ভোটের ক্ষমতা অন্যের হাতে তুলে দেওয়া।
- প্রাইভেট কী
- প্রাইভেট কী আপনার ওয়ালেটে ঢোকার সুযোগ দেয়, যা দিয়ে আপনি অন্য ওয়ালেটে ক্রিপ্টো সম্পদ পাঠাতে পারেন।
- প্রাইভেট লেনদেন রাউটিং
- লেনদেন প্রকাশ্য সারিতে না পাঠিয়ে সরাসরি ব্লক বিল্ডারের কাছে পাঠানো, যাতে ফ্রন্ট-রানিং বট সেগুলো দেখতে না পায়।
- প্রাইমারি নেম
- আপনার ওয়ালেট ঠিকানার সঙ্গে যুক্ত ENS নাম, যার ফলে অ্যাপগুলো লম্বা ঠিকানার বদলে আপনার নাম দেখাতে পারে।
- প্রুফ অব ওয়ার্ক
- এমন একটি কনসেনসাস পদ্ধতি, যেখানে মাইনাররা কম্পিউটিং ক্ষমতা খরচ করে (এটাই সেই “কাজ”) বৈধ ব্লক প্রস্তাব করার প্রতিযোগিতা করেন।
- প্রুফ অব স্টেক
- এমন একটি কনসেনসাস পদ্ধতি, যা প্রতিটি অংশগ্রহণকারীর প্রোটোকলে আটকে রাখা স্টেকের ভিত্তিতে এলোমেলোভাবে ব্লক প্রডিউসার বেছে নেয়।
- ফর্ক
- ব্লকচেইন নেটওয়ার্কে বড় ধরনের একটি পরিবর্তন, যা থেকে দুটি শাখা তৈরি হয়। একটি আগের প্রোটোকল মেনে চলে, আরেকটি নতুন প্রোটোকল।
- ফাঞ্জিবিলিটি
- একটির বদলে আরেকটি ব্যবহার করার গুণ: প্রতিটি একক একই মূল্যের, তাই একটি অন্যটির জায়গা নিতে পারে, যেমন এক ডলারের নোটের বদলে আরেকটি।
- ফিয়াট
- কোনো দেশের মুদ্রা, যার মূল্য সোনার মতো পণ্যের ওপর দাঁড়িয়ে নেই। এর মূল্য আসে যে ইস্যু করে তার ওপর মানুষের আস্থা থেকে।
- ফিশিং
- এক ধরনের সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং আক্রমণ, যেখানে আক্রমণকারী বিশ্বস্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সেজে মানুষকে ঠকিয়ে গোপন তথ্য বা টাকা হাতিয়ে নেয়।
- ফ্রন্ট-রানিং
- কারও অপেক্ষায় থাকা লেনদেন দেখে বাড়তি টাকা দিয়ে নিজের লেনদেন আগে সেরে ফেলা, আর তার ক্ষতি করে লাভ করা।
- বাজি
- বড় পুরস্কারের আশায় টাকা ঝুঁকিতে ফেলা।
- বাণিজ্যিক ব্যাংক
- যে ব্যাংক সাধারণ মানুষ আর ব্যবসার টাকা সামলায়।
- বিকল্প Layer 1
- Ethereum আর Bitcoin ছাড়া অন্য Layer 1 ব্লকচেইন।
- বিকেন্দ্রীকরণ
- নিয়ন্ত্রণ একটিমাত্র কর্তৃপক্ষের বদলে অনেক মানুষের হাতে ছড়িয়ে দেওয়া।
- বিকেন্দ্রীকৃত
- কোনো একটি কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা ব্যবস্থাটি নিয়ন্ত্রণ করে না।
- বিকেন্দ্রীকৃত এক্সচেঞ্জ
- (DEX) এমন একটি প্রোটোকল, যা বিশ্বাসযোগ্য মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই বিনিময় করতে দেয়।
- বিকেন্দ্রীকৃত মুদ্রা
- এমন টাকা, যার বৈশিষ্ট্য কোনো প্রতিষ্ঠান ঠিক করে না, বরং কমিউনিটি মিলে ঠিক করে।
- বিকেন্দ্রীকৃত সেবা
- (dApps) এমন অনলাইন সেবা, যা স্বয়ংক্রিয়তা কাজে লাগিয়ে ফি কমায় আর ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভালো করে।
- বিনিয়োগ করা
- মূল্য বাড়বে এই আশায় কোনো সম্পদে, যেমন কয়েন বা টোকেনে টাকা রাখা।
- বিশ্বাসযোগ্য নিরপেক্ষতা
- এমন একটি ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট কোনো মানুষের পক্ষে বা বিপক্ষে বৈষম্য করে না।
- বৈধতার প্রমাণ
- গাণিতিক একটি প্রমাণ, যা দেখায় লেনদেনের একটি ব্যাচ ঠিক আছে। ফলে ব্লকচেইনকে পুরো কাজ আবার করতে হয় না।
- ব্যাচ নিলাম
- ট্রেড করার একটি পদ্ধতি, যেখানে অল্প সময়ের অনেক অর্ডার একসঙ্গে জমা করা হয়। এরপর সবগুলো একই ন্যায্য দামে নিষ্পত্তি হয়।
- ব্রিজ
- এমন সংযোগ, যা দুটি আলাদা ব্লকচেইন নেটওয়ার্ককে একে অন্যের সঙ্গে কথা বলতে আর সম্পদ বিনিময় করতে দেয়।
- ব্লক
- ব্লকচেইনে লেনদেনের একটি গুচ্ছ।
- ব্লক এক্সপ্লোরার
- ব্লকচেইনের তথ্য খোঁজা আর দেখার টুল।
- ব্লক পুরস্কার
- নতুন একটি বৈধ ব্লক প্রস্তাব করার জন্য যত নেটিভ কয়েন দেওয়া হয়।
- ব্লক প্রডিউসার
- নেটওয়ার্কের যে অংশগ্রহণকারীকে লেনদেনের নতুন ব্লক বানানোর জন্য বেছে নেওয়া হয়, যেমন মাইনার বা ভ্যালিডেটর।
- ব্লক প্রপোজার
- নেটওয়ার্কের অ্যালগরিদম যে ভ্যালিডেটর নোডকে বেছে নেয়, যাতে সে ব্লকচেইনে যুক্ত হওয়া পরের ব্লক নির্বাচন করে।
- ব্লক বিল্ডার
- বিশেষ একটি অপারেটর, যা লেনদেন সাজিয়ে নতুন ব্লক তৈরি করে। এরপর ব্লক প্রপোজার সেই ব্লক নেটওয়ার্কে প্রকাশ করে।
- ব্লক হ্যাশ
- প্রতিটি ব্লক ফাইলের অনন্য পরিচয়। প্রতিটি নতুন ব্লক আগের ব্লকের ব্লক হ্যাশ উল্লেখ করে, তাই পুরো ব্লকচেইন একটিমাত্র জোড়া লাগানো শৃঙ্খল হয়ে ওঠে।
- ব্লকচেইন
- এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের হিসাব পৃথিবীজুড়ে অনেক কম্পিউটারে একসঙ্গে রাখা হয়।
- ব্লকচেইন অ্যাপ
- ব্লকচেইন অ্যাপ্লিকেশন, যেখানে আপনি ক্রিপ্টোকারেন্সি সোয়াপ করতে পারেন, web3 সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে পারেন, দান করতে পারেন, এমনকি Bankless Academy-র মতো অনচেইন শিখতেও পারেন।
- ব্লকচেইন আর্কিটেকচার
- ব্লকচেইন প্রযুক্তিতে ডেটা কীভাবে জমা থাকে, তার কাঠামো।
- ব্লকচেইন ট্রাইলেমা
- এই সমস্যাটি বোঝায় যে ব্লকচেইনের তিনটি গুণই একসঙ্গে দরকার: নিরাপত্তা, স্কেলেবিলিটি আর বিকেন্দ্রীকরণ।
- ব্লকচেইন প্রযুক্তি
- নতুন ধরনের একটি নেটওয়ার্ক, যা অনেক কম্পিউটারে ছড়িয়ে চলে। এটি ইন্টারনেটে ডিজিটাল মালিকানার নতুন একটি স্তর যোগ করছে।
- ব্লকস্পেস
- লেনদেন আর ডেটা রাখার জন্য প্রতিটি ব্লকে যতটুকু জায়গা থাকে।
- ব্লব
- Ethereum ব্লকে সস্তা ও অস্থায়ী ডেটার জায়গা। Layer 2 এখানে নিজেদের লেনদেনের ব্যাচ জমা দেয়।
- ভল্ট
- এমন একটি স্মার্ট কন্ট্রাক্ট, যা জমা দেওয়া টোকেন ধরে রেখে কাজে লাগায় এবং জমাদাতাকে তাঁর অংশের প্রতিনিধিত্বকারী একটি টোকেন দেয়।
- ভেটো
- কোনো গভর্ন্যান্স প্রস্তাব বাতিল করার পক্ষে দেওয়া ভোট।
- ভ্যালিডেটর
- প্রুফ অব স্টেক নেটওয়ার্কের একজন অংশগ্রহণকারী, যিনি স্টেক আটকে রেখে লেনদেন যাচাই করেন ও ব্লক প্রস্তাব করেন এবং সৎভাবে কাজ করলে পুরস্কার পান।
- ভ্যালিডেটর ক্লায়েন্ট
- প্রুফ অব স্টেক নেটওয়ার্কে নতুন ব্লক প্রস্তাব ও যাচাই করার জন্য ভ্যালিডেটর নোড যে সফটওয়্যার চালায়।
- ভ্যালিডেটর নোড
- Ethereum কমিউনিটির একজন সদস্যের চালানো একটি কম্পিউটার। এটি পুরস্কারের বিনিময়ে নেটওয়ার্কের লেনদেন প্রক্রিয়া করে।
- ভ্যালিডেটিং ব্রিজ
- এমন একটি ব্রিজ কন্ট্রাক্ট, যা টাকা তুলে নেওয়ার অনুরোধ নিজেই যাচাই করে। ফলে বাইরের কোনো কর্তৃপক্ষের ওপর ভরসা করতে হয় না।
- মধ্যবর্তী টোকেন
- এমন একটি টোকেন, যা ট্রেড রুটের মাঝখানে থাকে; শুরুর বা শেষের টোকেন নয়।
- মধ্যস্থতাকারী
- মানুষকে যুক্ত করে এমন একটি সংস্থা বা সেবা, যা মূল্য বা তথ্যের আদান-প্রদান সহজ করে।
- মাইনার
- Bitcoin-এর মতো প্রুফ অব ওয়ার্ক নেটওয়ার্কের একজন অংশগ্রহণকারী, যিনি পুরস্কারের বিনিময়ে নতুন ব্লক প্রস্তাব করার প্রতিযোগিতা করেন।
- মাইনিং
- প্রুফ অব ওয়ার্ক পদ্ধতিতে লেনদেন যাচাই করে পুরস্কারের বিনিময়ে ব্লকচেইনে নতুন ব্লক যোগ করার প্রক্রিয়া।
- মার্কেট ক্যাপ
- কোনো টোকেন বা বাজারের একটি খাতের মোট মূল্য।
- মিন্ট
- কোনো ব্লকচেইনে নতুন ফাঞ্জিবল বা নন-ফাঞ্জিবল ক্রিপ্টোকারেন্সি টোকেন তৈরি করা।
- মিমকয়েন
- ইন্টারনেট মিমকে ঘিরে তৈরি ক্রিপ্টোকারেন্সি টোকেন, যার সাধারণত কোনো কাজ বা উপযোগিতা থাকে না।
- মুদ্রানীতি
- একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থনীতিতে চালু টাকার পরিমাণ যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
- মুদ্রাস্ফীতি
- দাম সাধারণভাবে বেড়ে যাওয়া আর টাকার কেনার ক্ষমতা কমে যাওয়া।
- এমন ব্যবসায়িক চর্চা, যেখানে চড়া ফি, তথ্য সংগ্রহ ও অন্যায় শর্ত দিয়ে ব্যবহারকারীদের ঠকানো হয়।
- মূল্য প্রভাব
- আপনার নিজের ট্রেডের আকারের কারণে DEX-এ দাম কতটা নড়ে যায়।
- মূল্য সৃষ্টি
- এমন ব্যবসায়িক চর্চা, যেখানে ব্যবহারকারী ও অর্থনীতির জন্য নতুন ও উঁচু মানের পণ্য ও সেবা তৈরির দিকে মন দেওয়া হয়।
- মেইননেট
- মূল ও সচল ব্লকচেইন নেটওয়ার্ক, যেখানে লেনদেনের আসল মূল্য থাকে। টেস্ট নেটওয়ার্ক এর উল্টো। সাধারণত এটি Ethereum-এর Layer 1 বোঝায়।
- মেটা-অ্যাগ্রিগেটর
- এমন একটি টুল, যা একাধিক অ্যাগ্রিগেটরকে এক জায়গায় এনে বাড়তি একটি সারসংক্ষেপের স্তর তৈরি করে।
- রিকভারি ফ্রেজ
- রিকভারি ফ্রেজ হলো 12 থেকে 24টি শব্দের একটি তালিকা, যা দিয়ে আপনার ওয়ালেটের পাবলিক কী ও প্রাইভেট কী তৈরি হয়।
- রিস্টেকিং
- পুরস্কারের বিনিময়ে স্টেক করা ইথার টোকেন আবার কাজে লাগিয়ে অন্য প্রোটোকলও সুরক্ষিত ও যাচাই করা।
- রেড ফ্ল্যাগ
- বিপদের একটি সতর্ক সংকেত।
- রোলআপ
- একটি Layer 2 স্কেলিং সমাধান, যা মূল চেইনের বাইরে অনেক লেনদেন প্রক্রিয়া করে এবং পরে সেগুলো এক ব্যাচে জমা দেয়। এতে বেশি লেনদেন হয় ও খরচ কমে।
- লিকুইড
- ব্লকচেইন অর্থনীতিতে: কোনো ডিজিটাল সম্পদ সহজে কেনাবেচায় বা স্মার্ট কন্ট্রাক্টে কাজে লাগাতে পারার গুণ।
- লিকুইড স্টেকিং টোকেন
- স্টেক করা ইথারের প্রতিনিধিত্ব করা টোকেন। যাঁরা এগুলো রাখেন, তাঁরা স্টেক করা পরিমাণ অনুযায়ী স্টেকিং পুরস্কারের একটি অংশ পান।
- লিকুইডেশন
- ঋণগ্রহীতার জামানতের দাম এত কমে যাওয়া যে ঋণ আর নিরাপদ থাকে না, তখন সেই জামানত স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিক্রি করে দেওয়া।
- লেনদেন
- ব্লকচেইনে টাকা বা অন্য কিছু হস্তান্তরের একটি রেকর্ড।
- লেনদেন থ্রুপুট
- একটি ব্লকচেইন একসঙ্গে কতগুলো লেনদেন সামলাতে পারে। সাধারণত এটি প্রতি সেকেন্ডে লেনদেনের সংখ্যায় (TPS) মাপা হয়।
- লেনদেন হ্যাশ
- প্রতিটি লেনদেনের অনন্য পরিচয়। এটি তৈরি হয় লেনদেনের তথ্য, যিনি পাঠাচ্ছেন তাঁর ডিজিটাল স্বাক্ষর এবং একবার ব্যবহারযোগ্য একটি সংখ্যা থেকে, যাতে একই লেনদেন দুবার না হয়।
- শার্ডিং
- স্কেলেবিলিটি বাড়াতে একটি ব্লকচেইনকে ভেঙে একাধিক চেইনে ভাগ করা, যেগুলো পাশাপাশি একসঙ্গে চলে।
- সর্বজনীন
- সর্বজনীন ব্লকচেইনে যে কেউ ব্লকচেইনের খতিয়ান দেখতে পারেন।
- সর্বোচ্চ সরবরাহ
- কোনো ক্রিপ্টোকারেন্সির সর্বোচ্চ যত কয়েন বা টোকেন কখনও তৈরি হতে পারে, সেই সংখ্যা।
- সলভার
- একজন বিশেষজ্ঞ, যিনি সবচেয়ে ভালো দামে ব্যবহারকারীর ইনটেন্ট পূরণ করার জন্য অন্যদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেন।
- সাইডচেইন
- মূল ব্লকচেইনের পাশাপাশি চলা আলাদা একটি ব্লকচেইন, যা ব্রিজ দিয়ে যুক্ত থাকে এবং যার নিজস্ব ভ্যালিডেটর ও নিরাপত্তা আছে।
- সিড ফ্রেজ
- ওয়ালেট চালু করার সময় তৈরি হওয়া কিছু এলোমেলো শব্দ। এগুলোই সেই ওয়ালেটের নিয়ন্ত্রণে থাকা সব অ্যাকাউন্টের প্রধান কী। কোনো কারণেই কখনও কাউকে আপনার সিড ফ্রেজ দেবেন না।
- সুযোগের সমতা
- ন্যায্যতার একটি নীতি, যেখানে পটভূমি বা পরিস্থিতি যেমনই হোক, সফল হওয়ার সুযোগ সবার সমান।
- সেন্সরশিপ-প্রতিরোধী
- কোনো সরকার বা কোম্পানি ঠিক করে দিতে পারে না কী চলবে আর কী চলবে না।
- সেলফ-কাস্টডি
- সম্পদ রাখার এমন উপায়, যেখানে কেবল আপনিই সেই সম্পদে পৌঁছাতে পারেন।
- সেলফ-কাস্টডি ওয়ালেট
- (অন্য নাম: নন-কাস্টোডিয়াল ওয়ালেট) সেলফ-কাস্টডি ওয়ালেটে প্রাইভেট কী শুধু আপনারই নিয়ন্ত্রণে থাকে, আর সেই কী আপনার ক্রিপ্টো সম্পদ নিয়ন্ত্রণ করে।
- সেলফ-কাস্টডি ভিত্তিক
- সম্পদ রাখার এমন উপায়, যেখানে কেবল আপনিই সেই সম্পদে পৌঁছাতে পারেন।
- সোয়াপ
- এক টোকেন থেকে আরেক টোকেনে ট্রেড।
- সোলো স্টেকার
- এমন একজন নোড অপারেটর, যিনি নিজের স্বাধীন ভ্যালিডেটর নোড চালান।
- সোলো স্টেকিং
- প্রুফ অব স্টেক ব্যবস্থায় লেনদেন প্রক্রিয়া করতে নিজের ভ্যালিডেটর নোড চালানো।
- সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
- কৌশলে কাউকে দিয়ে পাসওয়ার্ড বা সিড ফ্রেজের মতো গোপন তথ্য বলিয়ে নেওয়া।
- স্কেলেবিলিটি
- ব্যবহারকারীর ভোগান্তি না বাড়িয়ে ক্রমশ বেশি কাজ, লেনদেন ও ব্যবহার সামলানোর ক্ষমতা।
- স্ক্যাম টোকেন
- এমন ক্রিপ্টোকারেন্সি টোকেন, যা শুধু বিনিয়োগকারীর টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্যই বাজারে ছাড়া হয়।
- স্টেক
- কোনো ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রোটোকলে আটকে রাখা আর্থিক সম্পদের পরিমাণ। এটি সেই প্রোটোকলের প্রতি কারও আর্থিক দায়বদ্ধতা বোঝায়, অর্থাৎ নিজের ঝুঁকি নিজের কাঁধে নেওয়া।
- স্টেকার
- Ethereum কমিউনিটির একজন সদস্য, যিনি পুরস্কারের বিনিময়ে একটি ভ্যালিডেটর নোডে ইথার দেন।
- স্টেকিং
- সুদ (“পুরস্কার”) পাওয়ার বিনিময়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিজের ক্রিপ্টোর একটি অংশ সাময়িকভাবে স্মার্ট কন্ট্রাক্টে আটকে রাখা।
- স্টেকিং পুল
- Ethereum-এ: এমন স্মার্ট কন্ট্রাক্ট, যার মাধ্যমে স্টেকাররা অন্য একজন স্টেকারের ভ্যালিডেটর নোডে ইথার দেন।
- স্টেকিং প্রোভাইডার
- যেসব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম স্টেকিং সেবা দেয়, সাধারণত স্টেকিং পুলের মাধ্যমে।
- স্টেবলকয়েন
- এমন একটি টোকেন, যার মূল্য স্থির রাখার জন্যই এটি তৈরি। সাধারণত এটি মার্কিন ডলারের মতো কোনো মুদ্রার সঙ্গে 1:1 হারে পেগ করা থাকে।
- স্টেবলকয়েন ইস্যুকারী
- যে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান স্টেবলকয়েন তৈরি করে এবং তার মূল্যের পেছনে থাকা রিজার্ভ পরিচালনা করে।
- স্ট্যান্ডার্ড রেকর্ড
- কোনো ENS ডোমেইনের সঙ্গে যুক্ত সাধারণ একটি তথ্য, যেমন ওয়ালেট ঠিকানা, অ্যাভাটার বা ইমেইল।
- স্পট ETF
- এমন একটি ETF, যা আসল সম্পদটিই ধরে রাখে, যেমন Bitcoin। ফলে প্রচলিত শেয়ারবাজারের মাধ্যমেই তাতে বিনিয়োগ করা যায়।
- স্বর্ণমান
- এমন একটি মুদ্রাব্যবস্থা, যেখানে দেশের মুদ্রার মূল্য সরাসরি সোনার সঙ্গে বাঁধা থাকে।
- স্বায়ত্ততা
- অন্যের বেঁধে দেওয়া নিয়মে না চলে নিজের কাজ নিজে ঠিক করার ক্ষমতা।
- স্মার্ট ওয়ালেট
- শুধু একটি প্রাইভেট কী নয়, স্মার্ট কন্ট্রাক্ট দিয়ে চলা ওয়ালেট। এতে অ্যাকাউন্ট ফিরে পাওয়া বা পাসকি দিয়ে লগইনের মতো সুবিধা যোগ করা যায়।
- স্মার্ট কন্ট্রাক্ট
- কম্পিউটার কোড, যা চুক্তির শর্তগুলো নিজে থেকেই কার্যকর করে।
- স্যান্ডউইচ আক্রমণ
- এমন একটি আক্রমণ, যেখানে বট আপনার ট্রেডের ঠিক আগে ও পরে ট্রেড বসিয়ে দাম নাড়িয়ে দেয় এবং আপনার ক্ষতি করে লাভ তুলে নেয়।
- স্লিপেজ
- আপনি যে দাম আশা করেন আর ট্রেড হওয়ার সময় যে দাম পান, তার পার্থক্য।
- স্লিপেজ টলারেন্স
- একটি ট্রেডে দামের সর্বোচ্চ যতটা বদল আপনি মেনে নেন। এর বেশি বদলালে ট্রেড বাতিল হয়ে যায়।
- স্ল্যাশিং
- প্রুফ অব স্টেক নেটওয়ার্কের একটি শাস্তি, যা প্রমাণিত অসততার জন্য ভ্যালিডেটরের স্টেকের একটি অংশ নষ্ট করে দেয়, যেমন পরস্পরবিরোধী দুটি ব্লকে স্বাক্ষর করা।
- হট ওয়ালেট
- এক ধরনের সেলফ-কাস্টডি ওয়ালেট, যা সবসময় ইন্টারনেটে যুক্ত থাকে।
- হাভিং
- মোটামুটি প্রতি চার বছরে ঘটা একটি নির্ধারিত ঘটনা, যা নতুন Bitcoin মাইনিংয়ের পুরস্কার অর্ধেক করে দেয়।
- হার্ডওয়্যার ওয়ালেট
- এক ধরনের সেলফ-কাস্টডি ওয়ালেট, যা প্রাইভেট কী ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন একটি যন্ত্রে রাখে।
- হ্যাশ
- তথ্যের ডিজিটাল আঙুলের ছাপ।
- হ্যাশিং ফাংশন
- এমন একটি ফাংশন, যা যেকোনো ইনপুটকে নির্দিষ্ট মাপের অনন্য একটি ছাপে, অর্থাৎ হ্যাশে বদলে দেয়। এক দিকে হিসাব করা সহজ, উল্টো দিকে ফেরানো প্রায় অসম্ভব।
- Allo Protocol
- Capital Allocation Protocol-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। একটি ওপেন সোর্স প্রোটোকল, যার মাধ্যমে বিভিন্ন দল জমা করা তহবিল দক্ষ ও স্বচ্ছভাবে বণ্টন করতে পারে।
- AMM
- (Automated Market Maker) একটি সর্বজনীন অ্যালগরিদমের ওপর চলা ট্রেড মেলানোর ব্যবস্থা।
- Basenames
- Base নেটওয়ার্কের একটি নেমিং সার্ভিস, যা ওয়ালেটকে .base.eth দিয়ে শেষ হওয়া সহজে পড়া যায় এমন নাম দেয়।
- BTC
- Bitcoin-এর বাজার প্রতীক।
- CEX
- (Centralized Exchange) একটি প্ল্যাটফর্ম, যা ফির বিনিময়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেড পরিচালনা করে, অনেকটা শেয়ারবাজারের মতো।
- DAO
- (Decentralized Autonomous Organization) এমন একটি সাংগঠনিক কাঠামো, যা ভোট আর ব্যবস্থাপনা স্বয়ংক্রিয় করতে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- dApp
- একটি “বিকেন্দ্রীকৃত অ্যাপ্লিকেশন”, যা ব্লকচেইন আর বিকেন্দ্রীকৃত নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়।
- DeFi
- (Decentralized Finance) ব্লকচেইনে চলা সেলফ-কাস্টডি ভিত্তিক আর্থিক টুলের একটি সংগ্রহ।
- DEX
- (Decentralized Exchange) এমন একটি প্রোটোকল, যা বিশ্বাসযোগ্য মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই বিনিময় করতে দেয়।
- DEX অ্যাগ্রিগেটর
- এমন প্রোটোকল, যা একাধিক উৎস থেকে DEX-এর তারল্য একটি জায়গায় এনে দেয়।
- ERC-1155
- Ethereum-এ একটিমাত্র দক্ষ স্মার্ট কন্ট্রাক্টের ভেতরে ফাঞ্জিবল আর নন-ফাঞ্জিবল দুই ধরনের টোকেন চালু করার স্ট্যান্ডার্ড।
- ERC-20
- Ethereum-এ ফাঞ্জিবল টোকেনের একটি স্ট্যান্ডার্ড। এই টোকেনগুলো ভাগ করা যায় এবং প্রতিটি একক একই রকম।
- ERC-721
- Ethereum-এ নন-ফাঞ্জিবল টোকেনের একটি স্ট্যান্ডার্ড। এই টোকেনগুলোর আলাদা ডিজিটাল পরিচয় থাকে; এগুলো নকল করা যায় না, ভাগও করা যায় না।
- ETF
- (Exchange-Traded Fund) শেয়ারবাজারে কেনাবেচা হওয়া একটি বিনিয়োগ ফান্ড, যা শেয়ার, সোনা বা Bitcoin-এর মতো সম্পদ ধরে রাখে।
- ETH
- (ইথার) Ethereum-এর নিজস্ব ক্রিপ্টোকারেন্সি। নেটওয়ার্কে লেনদেন করা, ভ্যালিডেটর নোড চালানো আর আরও নানা কাজে এটি লাগে।
- Ethereum ব্লকচেইন
- একটি সর্বজনীন খতিয়ান, যেখানে Ethereum নেটওয়ার্কের লেনদেন আর মালিকানার হিসাব লেখা থাকে।
- Ethereum Virtual Machine
- Ethereum Virtual Machine বা EVM হলো একটি সফটওয়্যার, যা স্মার্ট কন্ট্রাক্ট চালায় আর Ethereum নেটওয়ার্কের অবস্থা হিসাব করে।
- FOMO
- (Fear Of Missing Out) কোনো কিছু থেকে বাদ পড়ে যাওয়ার ভয় বা দুশ্চিন্তা।
- Gwei
- Ethereum ব্লকচেইনে ব্যবহৃত একটি একক, যা 0.000000001 ETH-এর সমান, অর্থাৎ এক বিলিয়ন ভাগের এক ভাগ। সাধারণত গ্যাসের দাম বোঝাতে এটি কাজে লাগে।
- HODL
- (Hold On for Dear Life) ক্রিপ্টো জগতের চলতি কথা: বাজার যেমনই হোক, নিজের ক্রিপ্টো না বেচা।
- KYC
- (Know-Your-Customer) সরকার-অনুমোদিত ব্যবহারকারী শনাক্ত করার প্রক্রিয়া।
- L1
- Layer 1 বলতে বোঝায় Bitcoin বা Ethereum-এর মতো একটি ভিত্তি নেটওয়ার্ক।
- L2
- এমন একটি ব্লকচেইন, যা Ethereum-এর স্কেলেবিলিটি বাড়ায়, আর নিরাপত্তা পায় Ethereum থেকেই।
- Layer 1
- Layer 1 বলতে বোঝায় Bitcoin বা Ethereum-এর মতো একটি ভিত্তি নেটওয়ার্ক।
- Layer 2
- এমন একটি ব্লকচেইন, যা Ethereum-এর স্কেলেবিলিটি বাড়ায় আর Ethereum-এর নিরাপত্তা সঙ্গে নিয়েই চলে।
- Lightning Network
- Bitcoin-এর ওপরে তৈরি একটি পেমেন্ট নেটওয়ার্ক, যা পেমেন্ট চ্যানেল কাজে লাগিয়ে রোজকার লেনদেন সঙ্গে সঙ্গে আর সস্তায় সারে।
- LP
- (Liquidity Provider) যেসব ব্লকচেইন ব্যবহারকারী ফির একটি ভাগ পাওয়ার বিনিময়ে নিজের টোকেন প্রোটোকলকে ধার দেন।
- LSTs
- স্টেক করা ইথারের প্রতিনিধিত্ব করে এমন টোকেন। যিনি এই টোকেন রাখেন, তিনি স্টেক করা পরিমাণ অনুযায়ী স্টেকিং পুরস্কারের একটি অংশ পান।
- MEV
- (Maximal Extractable Value) ব্লকের ভেতরে লেনদেনের ক্রম বদলে, নতুন লেনদেন ঢুকিয়ে বা কোনো লেনদেন আটকে দিয়ে ব্লক প্রডিউসাররা যে লাভ করতে পারেন।
- NFT
- (Non-fungible Token) অনন্য পরিচয় নম্বরসহ একটি টোকেন, যার হুবহু নকল তৈরি করা যায় না। ইথারের মতো ফাঞ্জিবল টোকেনের এমন আলাদা কোনো পরিচয় থাকে না।
- OTC
- (Over the Counter) সরাসরি ব্যক্তিগত পক্ষের সঙ্গে করা ট্রেড।
- POAP
- POAP (Proof of Attendance Protocol) হলো একটি ব্যাজ, যা আপনার ওয়ালেটে জীবনের নানা অভিজ্ঞতার নির্ভরযোগ্য রেকর্ড রাখে, যেমন একটি পাঠ সফলভাবে শেষ করা।
- PoS
- (Proof of Stake) এমন কনসেনসাস, যেখানে ভ্যালিডেটররা নেটওয়ার্ক সুরক্ষিত রাখতে স্টেক আটকে রাখেন।
- RetroPGF
- (Retroactive Public Goods Funding) প্রকল্পগুলোকে তাদের অতীত প্রভাবের ভিত্তিতে অর্থ দেওয়ার একটি পদ্ধতি।
- Satoshi Nakamoto
- Bitcoin-এর ছদ্মনামী নির্মাতা। আজ পর্যন্ত কেউ তাঁর আসল পরিচয় জানে না।
- TPS
- (Transactions Per Second) ব্লকচেইনের স্কেলেবিলিটির একটি পরিমাপ, অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে এটি কতগুলো লেনদেন প্রক্রিয়া করে।
- TVL
- (Total Value Locked) কোনো একটি জায়গায় জমা থাকা সম্পদের মোট মূল্য।
- Web2
- কেন্দ্রীকৃত প্ল্যাটফর্ম ও অ্যাকাউন্টের ইন্টারনেট, যেখানে ব্লকচেইনের কোনো অবকাঠামো নেই।
- Web3
- ব্লকচেইনের ইন্টারনেট, যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজের সম্পদ ও তথ্য নিজের কাছেই রাখতে পারেন।
- ZK রোলআপ
- এমন একটি Layer 2 রোলআপ, যা জিরো-নলেজ প্রমাণ ব্যবহার করে Layer 1 ব্লকচেইনে গাণিতিকভাবে দেখায় যে তার ব্যাচের লেনদেনগুলো বৈধ।